২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষ

ইন্দোনেশিয়ায় ভুট্টা ও ধান উৎপাদন বাড়বে

২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে ইন্দোনেশিয়ায় ভুট্টা ও ধান উৎপাদন বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের অধীনস্থ ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস (এফএএস)।

২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে ইন্দোনেশিয়ায় ভুট্টা ও ধান উৎপাদন বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের অধীনস্থ ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস (এফএএস)। আগের বিপণন বর্ষের আবহাওয়াজনিত অস্বাভাবিকতার পর এ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকম।

এফএএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ মৌসুমে দেশটিতে ভুট্টা উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে উৎপাদন বেড়ে ১ কোটি ৩৬ লাখ টনে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। উৎপাদন বাড়ার পেছনে মূল কারণ হিসেবে বলা হয়েছে বাড়তি ফসলি জমি ও উন্নত ফলন।

ভুট্টার সরবরাহ বাড়ায় দেশটির ফিড মিলগুলো প্রাণিখাদ্যে গমের ব্যবহার কমিয়ে ভুট্টা ব্যবহার বাড়াচ্ছে। এফএএস জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে পোলট্রি ফিড উৎপাদন দাঁড়াবে ২ কোটি ১৪ লাখ টনে এবং মাছের খাদ্য বা অ্যাকুয়াফিডের উৎপাদন হবে ১৮ লাখ টন। পরের বিপণন বর্ষে পোলট্রি ফিড উৎপাদন ৩ শতাংশ বেড়ে ২ কোটি ৩৩ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। তবে অ্যাকুয়াফিডের উৎপাদন অপরিবর্তিত থাকবে।

এফএএস জানিয়েছে, ভুট্টার দাম কমে আসায় ফিড মিলগুলো খাদ্য মিশ্রণে ভুট্টার অংশ ৪৫-৪৬ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ শতাংশ করেছে। ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে এ হার ৫০ শতাংশে পৌঁছতে পারে।

ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৪-২৫ মৌসুমে ধান উৎপাদন কিছুটা কমে ৫ কোটি ৩৭ লাখ টনে দাঁড়ালেও ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে উৎপাদন ১৪ শতাংশ বেড়ে ৪ কোটি ৩৩ লাখ টনে পৌঁছবে। কৃষকরা ২০২৫ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে নতুন মৌসুমের ফসল রোপণ শুরু করবেন।

অন্যদিকে গম আমদানি ২০২৫-২৬ মৌসুমে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ১০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। ফিড গম আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে ২০২৪-২৫ মৌসুমে গম আমদানি কমে ১ কোটি ৫ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৩-২৪ মৌসুমের ১ কোটি ৩০ লাখ ১৫ হাজার টনের তুলনায় ১৯ শতাংশ কম।

সংস্থাটি বলছে, ইন্দোনেশিয়ায় বেকারি, বিস্কুট উৎপাদনকারী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং গৃহস্থালি চাহিদা বাড়ার কারণে গমের ব্যবহার বাড়ছে। বর্তমানে দেশটিতে ৩১টি আটা কল রয়েছে, যার মোট বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৪৮ লাখ টন।

আরও